শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
নওগাঁয় ফেন্সিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ি গ্রেফতার কুষ্টিয়ায় মাদক সম্রাজ্ঞীর যাবজ্জীবন,২ ভাইয়ের ১৫ বছরের কারাদন্ড সমাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় টেকনাফে একলা’র সভা অনুষ্টিত ব্রিটেনে তারেক-জোবাইদার ব্যাংক হিসাব নিশ্চল করার নির্দেশ নুসরাত হত্যাকাণ্ড: হাফেজ আবদুল কাদেরের স্বীকারোক্তি ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে পণ্য শতভাগ পরীক্ষণে বাণিজ্য স্থবিরের আশঙ্কা বাজিতপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই কৃষকের করুণ মৃত্যু হাটহাজারীতে ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী আটক সাতক্ষীরায় সুইসাইড নোট লিখে এবার দশম শ্রেণীর ছাত্রীর আত্মহত্যা ভূঞাপুরে হাসপাতালে সেবা না পাওয়ায় খোলা আকাশের নীচে সন্তান প্রসব

দেড় যুগ ধরে উন্নয়ন বঞ্চিত টেকনাফ পৌরসভা!

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৯
  • ২২ বার পঠিত

সারা দেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে সরকারে এমন দাবী সত্য হলেও টেকনাফ পৌর সভায় ১৮ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়ার আচঁড় লাগেনি।টেকনাফ পৌর এলাকায় প্রবেশ করলে দেখা মেলে উন্নয়নে বিপরীত চিত্র।পৌর বাসীর অভিযোগ সরকারী নিয়ম অনুযায়ী সকল কর ও ভ্যাট আদেয়ের পরেও পৌর নাগরিক সুবিধা ও মূল সড়ক সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের রাস্তা ঘাটের বেহাল দশায় তারা ক্ষুব্দ।এসব সমস্যার কারনে পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকেই দ্বায়ী করছেন পৌরবাসী।এ বিষয়ে পৌর মেয়র হাজী ইসলাম ও স্বচিব মহিউদ্দীন ফরায়েজী কোন মন্তব্য করতে রাজি নয়।অপরদিকে প্যানেল মেয়র মুজিবের মুটো ফোনে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

খোঁজ নিয়ে জানাগেছে,গেলো ২০০০ সালে আওয়ামীলীগ সরকাররের হাত ধরে পৌরসভা গঠিত হয়।সাবেক এমপি বদি এই পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।তিনি সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পরবর্তীতে হাজী ইসলাম ২০১১ ও ২০১৬ সালে দুই মেয়াদে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।প্রথম মেয়াদে তিনি কিছুটা উন্নয়ন করলেও দ্বিতীয় মেয়াদের ৪ বছরেও তেমন উন্নয়ন করতে পারেন নাই।নাম মাত্র উন্নয়ন যা হয়েছে তাও অপরিকল্পিত।অধিকাংশ পৌরবাসী ৯টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের সিংহভাগ এলাকায় অনুপস্থিতি উন্নয়ন প্রতিবন্ধকতার একটি বড় কারন হিসেবে মনে করেন।এসব কাউন্সিলরদের মধ্যে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কেউ কারাগারে কেউ পলাতক রয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সরকারের দেশ ব্যাপী উন্নয়নের চিত্র দৃশমান হয়ে ফুটে উঠলেও টেকনাফ পৌর সভার অবস্থা ভিন্ন।এই পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যটন শহরের উন্নয়ন ও অধুনিকায়নের কোন ছোঁয়া আঁচড়ে পরেনি।গেলো (২০১৮-১৯) অর্থ বছরে উন্নয়ন খাতে ১৬কোট ২০লাখ টাকা বাজেট ঘোষনা করলেও প্রধান সড়ক গুলোর ও হাটবাজার শ ট্রাফিক ব্যবস্থা দেখলে পৌর উন্নয়ন এবং খুব সহজে বিভিন্ন ওয়ার্ডের রাস্তা ঘাট উন্নয়নের করুন দশা অনুমান করা যায়।জন সাধারনের অভিযোগের ভিত্তিতে সুড়কি,ইট,বালু দিয়ে সড়ক গুলো সচল রাখার চেষ্ঠা করা হলেও এর স্থায়িত্ব কাল হয় কয়েকদিন।২০০৮ সালের দিকে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অন্তত ৮টি ডাস্টবিন স্থাপন করলেও বর্তমানে এসবের অস্থিত্ব নেই।সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ২০০৯ সালে একটি গভীর নলকূপ সহ ফোয়ারা চত্ত্বরটি নির্মান করা হয়।রক্ষনা বেক্ষনের জন্য মাষ্টার রোলে একজন সুইপার নিয়োগ থাকলেও অজানা কারনে রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে তা ডাস্টবিনে পরিনত হয়ে দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।তাছাড়া ২০১০ সালে জনগুরুত্ব পূর্ণ এলাকা গুলোতে পালবিক টয়লেট নির্মান পরবর্তী সময় থেকে একটি ছাড়া বাকী গুলো পরিত্যাক্ত পড়ে রয়েছে।এদিকে গ্রীস্ম কালে খড়া মৌসুমে পৌরসভায় তিব্র পানীয় জলের সংকট নিরসনে কোন গভীর নলকূপের ব্যবস্থা করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।বর্ষায় জলাবদ্ধতা নিরসনে কায়ুকখালী খাল দখল মুক্ত সহ পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশন ড্রেন না থাকায় হালকা বৃষ্টিতে অধিকাংশ রাস্তা হাল চাষের উপযোগী হয়ে পড়ে।

এদিকে,পৌর সভার যাবতীয় কর আদায় করার পরেও পৌর সুযোগ সুবিদা না পাওয়ায় জন প্রতিনিধিদের প্রতি ক্ষুব্ধ পৌরবাসী।উন্নয়ন সুবিধা বঞ্চিতরা যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত না করার বিষয়ে আপেক্ষ করে আগামী নির্বাচনে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত করার বিষয়টি নিয়েও ভাবছেন।তাই সার্বিক সমস্যা সমাধান সহ পরিকল্পিত উন্নয়ের তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© ২০১৯ সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত “ক্রাইম ওয়াচ
Theme Download From ThemesBazar.Com