,

ThemesBazar.Com

পদ্মা তীর রক্ষায় পাউবো কার্যক্রম শুরু; প্রথমদিনেই নতুন সুসংবাদ

শরীয়তপুর জেলার জাজিরা ও নড়িয়া’য় পদ্মার ভাঙ্গন কিছুতেই থামছে না। বর্ষার অাগে বেড়িবাধের দাবী ছিলো ভাঙ্গন কবলিত স্থানীয় জনসাধারনের। কিন্তু ভাঙ্গন রক্ষায় নানা ধরনের উদ্যোগের চিন্তা ভাবনা শেষ হওয়ার অাগেই এবছর বর্ষার শুরুতেই অাবার ভাঙ্গন পরিস্থিতি মারাত্বক অাকার ধারন করেছে।

নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা খাদ্য গুদাম সহ উপজেলা সদর নড়িয়া বাজার পৌরশহরের কয়েকটি ওয়ার্ড ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পানি উন্নয়ন বোর্ড শরীয়তপুর ভাঙ্গন প্রতিরোধ করতে নড়িয়া উপজেলার ভাঙ্গন কবলিত নদী তিরের ৪০০মিটার রক্ষা করতে কার্যক্রম শুরু করেছে। জিও ব্যাগে ২৫০কেজি করে বালি ভর্তি করা শুরু হয়েছে গতকাল সন্ধ্যা থেকে, অাজ ১১জুলাই বিকাল অানুমানিক ৫টা ৩০মিনিটে নড়িয়া পৌরশহরের ২নং ওয়ার্ড এর মাহিপাড়া এলাকায় ভাঙ্গন কবলিত তীরে ৭০টি বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলেছে ।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা ইয়াসমিন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, শরীয়তপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড এর নির্বাহী প্রকৌশলী, কেদারপুর ইউনিয়ন অাওয়ামীলিগ সভাপতি, নড়িয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি বরকত অালী মুরাদ এবং সাধারন সম্পাদক কবিরুজ্জামান কবির সহ স্থানীয় শতশত লোকজন।

 

শরীয়তপুর ‘পাউবো’ সূত্র জানায়, অাগামীকাল থেকে নির্ধারিত ৪০০মিটার নদীপাড়ে ৬৫ হাজার জিও ব্যাগ ধারাবাহিকভাবে ফেলা হবে।

 

ভাঙ্গনের শিকার স্থানীয়দের দাবী, এতে মনে হয় না কার্যত কোন লাভ হবে, এই কাজটাই যদি শুকনো মৌসুমে করা হতো তাহলে হয়তো এবছর এমন ক্ষতি হতো না। একাধিক ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা বলেন “অামাদের নড়িয়া বাঁচাতে স্থায়ী বাঁধ দরকার, ভাঙ্গনের সময় প্রতিবারের প্রতিশ্রুতি অার এই লোক দেখানো সান্তনা অার চাই না”। গত বেশ কয়েক বছরের ভাঙ্গন দেখে স্থায়ী কোন ব্যবস্থা অামাদের জন্য কেউই করলো না, অাল্লাহ্ ছাড়া কেউ নেই অামাদের দেখার। অাবার অনেকেই বলছেন কিছুটা রক্ষা পাওয়া যাবে তবে এতো কষ্ট না করে নদীর মাঝখানে থাকা নতুন চরগুলো কেটে দিলেও হয়তো পদ্মার পানি প্রবাহের গতিপথ পরিবর্তন করা যেতো।

 

অপরদিকে পদ্মা তীর রক্ষার অান্দোলনের অন্যতম দুই ব্যাক্তি এ্যাতভোকেট অাবুল কালাম অাজাদ এবং সাইদুল হক মুন্না(মুন্না মাষ্টার) জানিয়েছেন, আজ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে, মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন, পদ্মানদীর ডান তীর দুর্যোগ কালীন রক্ষার জন্য কোন নির্দিষ্ট পরিমান নয় ,যত টাকা লাগে তা দেয়া হবে এবং ডিজি মহোদয় কে তার অফিসে এনে সরাসরি নির্দেশণা দিয়েছেন মাননীয় মন্ত্রী নজরুল ইসলাম বীর প্রতিক । মাননীয় সচিব আনোয়ারুল কবির ,ডিসি শরীয়তপুর মহোদয় কে টেলিফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আলোচনাকালে অামরা সেখানে উপস্থিত ছিলাম, এ সময় উপস্থিত ছিলেন অাওয়ামীলিগের সাধারন সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম, বুয়েটের অধ্যাপক নদী গবেষক বিশেষজ্ঞ, ড: আইনুন নিসাত।

এইচ এম অাতিক ইকবাল, স্টাফরিপোর্টার।

ThemesBazar.Com

     এই বিভাগের আরো খবর