মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন




নিহত সেই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ছিল অর্ধডজন মামলা

  • ক্রাইম ওয়াচ / অপরাধ অনুসন্ধানে ২৪ ঘণ্টা / আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০১৯
  • হাসান মাহমুদ পারভেজ।।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় মেহারীতে মো. শওকত হোসেন জসিম(৩৫) নামে এক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় ১৮জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলার একজনকে আটক করার পর পুলিশ ৭দিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন করেছেন। এই হত্যাকান্ড নিয়ে স্থানীয়রা নানান মতামত দিচ্ছেন। এই হত্যার পেছনে আসল কারণ কি ছিল? কেনই বা তাকে হত্যা করা হলো? তাদের মুখে এই প্রশ্ন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন জানান- শওকত হোসেন জসিম মেম্বারের নামে মাদক, চুরি ও ডাকাতি সহ থানায় ৬টি মামলা ছিল। বিভিন্ন সময়ে তার নামে এই মামলা গুলো দায়ের করা হয়। এসব মামলায় সে আদালত থেকে জামিনে ছিল। আধিপত্যের পাশাপাশি এসব বিষয় হত্যার কারণ কিনা তা তদন্ত করা প্রয়োজন। তারা আরো বলেন, পুলিশের উপর স্থানীয় সবার আস্থা আছে। পুলিশ তদন্তে এই হত্যাকান্ডের সঠিক কারণ বের করে আনবেন বলে সবাই প্রত্যাশা করে।

জসিম মেম্বার হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কসবা থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) ফারুক আহমেদ জানান, এই হত্যা মামলায় একজনকে আটকের পর রিমান্ড চেয়েছি। এজাহারনামীয় আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

 

তিনি আরো বলেন, জসিম মেম্বারের নামে বেশ কিছু মামলা চলমান ছিল। সর্বশেষ গত প্রায় দেড় মাস আগে ওয়ারেন্ট মূলে জসিম মেম্বারকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানোর পরে জামিনে বের হয়ে আসেন। তার বিরুদ্ধে যে মামলাগুলো আছে এগুলোর সাথে তাকে হত্যার কোন প্রকার সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তা আপাতত আমলে নিচ্ছি না। আমরা শুধু হত্যা মামলা নিয়ে তদন্ত করছি। আশা করছি দ্রুততম সময়ে সকল আসামীকে গ্রেফতার করা হবে।

আরো পড়ুন : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছেলেধরা সন্দেহে শিশুসহ এক যুবক আটক

মেহারী ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও একই ওয়ার্ডের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শওকত হোসেন জসিম মেম্বার। নিহত শওকতের পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকদের জানান, গত শুক্রবার দুপুরে কে বা কারা শওকতকে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। রাত সোয়া ৮টার দিকে শওকত বাড়িতে ফোন করে জানান তিনি আসছেন। এর কিছুক্ষণ পর খবর পাওয়া যায় শওকতকে মারধর করে স্থানীয় যমুনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ফেলে রাখা হয়েছে। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।



নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..








© ২০১৯ সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত “ক্রাইম ওয়াচ
Theme Download From ThemesBazar.Com